Dhaka ০৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও তথ্য চুরি অভিযোগ ফেসবুকের বিরুদ্ধে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • ২০১ Time View

ফেসবুকের বিরুদ্ধে তথ্য চুরি, কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নারীদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ আচরণের অভিযোগ এনেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন উচ্চপদস্থ কর্মী সারা উইন উইলিয়ামস। সম্প্রতি প্রকাশিত তার বইতে তিনি দাবি করেছেন, ফেসবুকের শীর্ষকর্তারা চীনের সঙ্গে গোপনে তথ্য ভাগ করতেন এবং নিজেদের স্বার্থে নানা অনৈতিক কাজ করেছেন। সারা বলেন, ফেসবুকের সিইও মার্ক জুকারবার্গ চীনে ব্যবসা বাড়ানোর জন্য সেখানে কমিউনিস্ট সরকারের শর্ত মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলেন। এমনকি মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটকে না জানিয়েই এই পরিকল্পনা করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, চীনকে ফেসবুকের সার্ভার অ্যাঙ্সে দেওয়া হয়েছিল। যা ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। সারার অভিযোগ, ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্কৃতি ভয়াবহ। কর্মীদের ইচ্ছেমতো ছাঁটাই করা হতো, আর নারীদের প্রতি অসদাচরণ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এমনকি সংস্থার দুই শীর্ষকর্তা, সিইও মার্ক জুকারবার্গ ও প্রাক্তন সিওও শার্ল স্যান্ডবার্গ, নিজেদের স্বার্থে লাগাতার দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিলেন। ‘কেয়ারলেস পিপল: এ কশনারি টেল অফ পাওয়ার, গ্রিড অ্যান্ড লস্ট আইডিওলিজম’ বইতে সারা উইন উইলিয়ামস লিখেছেন, ‘ফেসবুক একটি পচে যাওয়া কর্মসংস্কৃতির জায়গা, যেখানে নৈতিকতা কোনো গুরুত্ব পায় না।’ এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেটা জানিয়েছে, তারা এই বই পড়েনি। তবে তারা দাবি করেছে, ২০১৭ সালে সারাকে ফেসবুক থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং তদন্তে প্রমাণিত হয়েছিল যে তিনি মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিলেন।

Tag :
About Author Information

আবারও তথ্য চুরি অভিযোগ ফেসবুকের বিরুদ্ধে

Update Time : ০৮:৩০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

ফেসবুকের বিরুদ্ধে তথ্য চুরি, কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নারীদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ আচরণের অভিযোগ এনেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন উচ্চপদস্থ কর্মী সারা উইন উইলিয়ামস। সম্প্রতি প্রকাশিত তার বইতে তিনি দাবি করেছেন, ফেসবুকের শীর্ষকর্তারা চীনের সঙ্গে গোপনে তথ্য ভাগ করতেন এবং নিজেদের স্বার্থে নানা অনৈতিক কাজ করেছেন। সারা বলেন, ফেসবুকের সিইও মার্ক জুকারবার্গ চীনে ব্যবসা বাড়ানোর জন্য সেখানে কমিউনিস্ট সরকারের শর্ত মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলেন। এমনকি মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটকে না জানিয়েই এই পরিকল্পনা করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, চীনকে ফেসবুকের সার্ভার অ্যাঙ্সে দেওয়া হয়েছিল। যা ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। সারার অভিযোগ, ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্কৃতি ভয়াবহ। কর্মীদের ইচ্ছেমতো ছাঁটাই করা হতো, আর নারীদের প্রতি অসদাচরণ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এমনকি সংস্থার দুই শীর্ষকর্তা, সিইও মার্ক জুকারবার্গ ও প্রাক্তন সিওও শার্ল স্যান্ডবার্গ, নিজেদের স্বার্থে লাগাতার দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিলেন। ‘কেয়ারলেস পিপল: এ কশনারি টেল অফ পাওয়ার, গ্রিড অ্যান্ড লস্ট আইডিওলিজম’ বইতে সারা উইন উইলিয়ামস লিখেছেন, ‘ফেসবুক একটি পচে যাওয়া কর্মসংস্কৃতির জায়গা, যেখানে নৈতিকতা কোনো গুরুত্ব পায় না।’ এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেটা জানিয়েছে, তারা এই বই পড়েনি। তবে তারা দাবি করেছে, ২০১৭ সালে সারাকে ফেসবুক থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং তদন্তে প্রমাণিত হয়েছিল যে তিনি মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিলেন।