একসাথে বাংলাদেশ দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ইঞ্জুরিতে। তাদের চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে ভক্ত-সমর্থকরাও আছেন দুশ্চিন্তায়। এবার বিসিবির মেডিকেল বিভাগ জানাল- কোন ক্রিকেটারের চোটের কী অবস্থা, কার পুনর্বাসনের অগ্রগতিই বা কেমন। গতি তারকা নাহিদ রানা গত ১৭ জুলাই জিম্বাবুয়েতে খেলার সময় লেফট সাইড স্ট্রেইনের শিকার হন। তিনি আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই টেস্টের কোনোটি খেলতে পারবেন না। বোর্ড জানায়, তিনি গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেইনের শিকার। জিম্বাবুয়ে সফরে বাম পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে গ্রেড-১ চোট পান আরেক পেসার শরিফুল ইসলাম। তবে অস্ট্রেলিয়া সফরের আগেই তার সেরে ওঠার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে, ‘আগামী বুধবার থেকে সে পুনরায় বোলিং শুরু করবে এবং ১২ আগস্টের দিকে ফিটনেস পরীক্ষা করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তার খেলার সম্ভাবনা কম হলেও, বোলিং ওয়ার্কলোড সফলভাবে শেষ করা ও চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পাওয়ার সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য বিবেচিত হতে পারে।’ জিম্বাবুয়ে সফরে বাম পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে গ্রেড-১ চোট পান আরেক পেসার শরিফুল ইসলাম। তবে অস্ট্রেলিয়া সফরের আগেই তার সেরে ওঠার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে, ‘আগামী বুধবার থেকে সে পুনরায় বোলিং শুরু করবে এবং ১২ আগস্টের দিকে ফিটনেস পরীক্ষা করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তার খেলার সম্ভাবনা কম হলেও, বোলিং ওয়ার্কলোড সফলভাবে শেষ করা ও চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পাওয়ার সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য বিবেচিত হতে পারে।’ এদিকে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস বাম পায়ের পেশির চোটের কারণে জিম্বাবুয়ে সফর ও এলপিএল খেলতে পারেননি। প্রথম টেস্ট শরিফুলের মতোই হাতছাড়া হবে, যদিও তার চোট সেরে ওঠার বিষয়ে বোর্ড বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘সিঙ্গাপুরে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার পর গতকাল তার পিআরপি (প্লেটলেট-রিচ প্লাজমা) থেরাপি দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে তার রানিং ও কন্ডিশনিং কার্যক্রম শুরু করার কথা রয়েছে এবং ১৩ আগস্ট নাগাদ একটি ফিটনেস অ্যাসেসমেন্ট পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করে ফিটনেস ক্লিয়ারেন্স পেলে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে তিনি দলে নির্বাচনের জন্য উপলব্ধ থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’ এদিকে দীর্ঘদিন ধরে চোটের সাথে লড়াই করা পেসার তানজিদ হাসান সাকিব এখনও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, যা চলবে আরও ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ। মাঠে ফিরতে ফিরতে এ বছরের শেষাংশ চলে আসবে। বোর্ড জানায়, ‘হাড়ের ফ্র্যাকচার কতটা সেরে উঠেছে তার ওপর ভিত্তি করে মাঠে ফেরার সময়সীমা নির্ধারিত হবে, তবে ধারণা করা হচ্ছে চলতি বছরের শেষের দিকে তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত হতে পারেন।’ এছাড়া জিম্বাবুয়ে সফরে চোট পাওয়া কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে জানানো হয়েছে, ‘ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং ও কাফ ইঞ্জুরি থেকে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন মুস্তাফিজুর রহমান। এই বাঁহাতি পেসার প্রতিদিন রিহ্যাব করছেন এবং চলতি জুলাই মাসের শেষের দিকে তার ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়ার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং অনুশীলনে অগ্রগতি হলে আগামী ১৮ আগস্টের পর তিনি পুরোপুরি সিলেকশনের জন্য ফিট হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও লিটন দাসকে ছাড়াই খেলতে হবে টাইগারদের। নাহিদ অবশ্য খেলতে পারবেন না দ্বিতীয় টেস্টেও।