Dhaka ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেনিয়া থেকে ২ হাজার পিঁপড়া পাচারে অভিযুক্ত চীনা নাগরিক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪১ Time View

বিদেশ : কেনিয়া থেকে চীনে কালো বাগান জাতের দুই হাজারেরও বেশি রানী পিঁপড়া পাচারের অভিযোগে একজন চীনা নাগরিক ও তার কেনিয়ান সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত সপ্তাহে রাজধানী নাইরোবির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওই চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। খবর বিবিসির। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি জানায়, কেনিয়ায় গ্রেফতার হওয়া ওই চীনা নাগরিকের নাম ঝাং কেকুন। গত সপ্তাহে বিমানবন্দরে তার লাগেজে বিপুল পরিমাণে পিঁপড়ার সন্ধান পায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি পিঁপড়াকে বাতাসে পূর্ণ প্লাস্টিকের টেস্ট টিউবের মধ্যে রাখা হয়েছিলো। গত মঙ্গলবার ঝাংকে নাইরোবেরির একটি আদালতে তোলা হয়। আদালতকে ঝাং জানান, তিনি চার্লস মাওয়াঙ্গি থেকে এসব পিঁপড়া কিনেছিলো। প্রতি ১০০টির জন্য তার দিতে হয়েছে ৭৭ মার্কিন ডলার। ইউরোপ ও এশিয়ায় কালো বাগান জাতের পিঁপড়ার চাহিদা বাড়ছে। এ দুই অঞ্চলের বাসিন্দারা এসব পিঁপড়াকে পোষা প্রাণী হিসেবে ব্যবহার করছে। এর জেরে পিঁপড়া পাচারের বিষয়ে সতর্ক করে আসছে কেনিয়া কর্তৃপক্ষ। পিঁপড়া পাচারের ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা এখনও পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। নাইরোবির গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দু’জনই নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে। ঝাংয়ের আইনজীবী ডেভিড লুসওয়েটি বলেন, “আমার মক্কেল জানতোই না সে যে আইন অমান্য করছে।” তিনি সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসকে বলেন, “তারা দেখেছে, দেশের বাইরে এগুলো বিক্রি করার সম্ভাবনা আছে। তারা বিশ্বাস করে, এর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করা যেতে পারে।” আগামী ২৭ মার্চ ঝাং ও মাওয়াঙ্গিকে ফের আদালতে তোলা হবে। কেনিয়া ওয়ার্ল্ডলাইফ সার্ভিসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আগে বিবিসিকে জানিয়েছিলেন, পিঁপড়া ইস্যুতে আরও গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ তদন্তকারীরা তাদের তদন্ত সমপ্রসারণ করে অন্য শহরগুলোতেও যাচ্ছেন, যেখানে পিঁপড়া সংগ্রহের কাজ চলছিলো বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। রানী পিঁপড়া পাচারের অভিযোগে গত বছরের মে মাসে কেনিয়ার একটি আদালত চারজনকে এক বছরের জেল ও সাত হাজার ৭০০ ডলার জরিমানা করেন।

Tag :
About Author Information

কেনিয়া থেকে ২ হাজার পিঁপড়া পাচারে অভিযুক্ত চীনা নাগরিক

Update Time : ১১:০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বিদেশ : কেনিয়া থেকে চীনে কালো বাগান জাতের দুই হাজারেরও বেশি রানী পিঁপড়া পাচারের অভিযোগে একজন চীনা নাগরিক ও তার কেনিয়ান সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত সপ্তাহে রাজধানী নাইরোবির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওই চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। খবর বিবিসির। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি জানায়, কেনিয়ায় গ্রেফতার হওয়া ওই চীনা নাগরিকের নাম ঝাং কেকুন। গত সপ্তাহে বিমানবন্দরে তার লাগেজে বিপুল পরিমাণে পিঁপড়ার সন্ধান পায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি পিঁপড়াকে বাতাসে পূর্ণ প্লাস্টিকের টেস্ট টিউবের মধ্যে রাখা হয়েছিলো। গত মঙ্গলবার ঝাংকে নাইরোবেরির একটি আদালতে তোলা হয়। আদালতকে ঝাং জানান, তিনি চার্লস মাওয়াঙ্গি থেকে এসব পিঁপড়া কিনেছিলো। প্রতি ১০০টির জন্য তার দিতে হয়েছে ৭৭ মার্কিন ডলার। ইউরোপ ও এশিয়ায় কালো বাগান জাতের পিঁপড়ার চাহিদা বাড়ছে। এ দুই অঞ্চলের বাসিন্দারা এসব পিঁপড়াকে পোষা প্রাণী হিসেবে ব্যবহার করছে। এর জেরে পিঁপড়া পাচারের বিষয়ে সতর্ক করে আসছে কেনিয়া কর্তৃপক্ষ। পিঁপড়া পাচারের ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা এখনও পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। নাইরোবির গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দু’জনই নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে। ঝাংয়ের আইনজীবী ডেভিড লুসওয়েটি বলেন, “আমার মক্কেল জানতোই না সে যে আইন অমান্য করছে।” তিনি সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসকে বলেন, “তারা দেখেছে, দেশের বাইরে এগুলো বিক্রি করার সম্ভাবনা আছে। তারা বিশ্বাস করে, এর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করা যেতে পারে।” আগামী ২৭ মার্চ ঝাং ও মাওয়াঙ্গিকে ফের আদালতে তোলা হবে। কেনিয়া ওয়ার্ল্ডলাইফ সার্ভিসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আগে বিবিসিকে জানিয়েছিলেন, পিঁপড়া ইস্যুতে আরও গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ তদন্তকারীরা তাদের তদন্ত সমপ্রসারণ করে অন্য শহরগুলোতেও যাচ্ছেন, যেখানে পিঁপড়া সংগ্রহের কাজ চলছিলো বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। রানী পিঁপড়া পাচারের অভিযোগে গত বছরের মে মাসে কেনিয়ার একটি আদালত চারজনকে এক বছরের জেল ও সাত হাজার ৭০০ ডলার জরিমানা করেন।