Dhaka ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিবেশ-অর্থনীতি ক্ষতি করবে এমন প্রকল্প নেবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৮ Time View

নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ঘোষণা করেছেন, সরকারের আমলে কোনো প্রকল্প পরিবেশ ও অর্থনীতি নষ্ট করবে এমন হলে তা গ্রহণ করা হবে না। তিনি জানিয়েছেন, এমন প্রকল্পে বিনিয়োগ হবে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে এমন উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “মানুষের প্রত্যাশা ৫ আগস্টের পর আকাশচুম্বী হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, দেশের প্রতিটি মানুষ যেন অর্থনীতির সুফল পেতে পারে। পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি আর চলবে না, আমাদের অর্থনীতিতে গণতন্ত্র আনতে হবে। সব প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় সক্ষম করে তোলা হবে, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রতিমন্ত্রী মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি আরও বলেন, দুর্নীতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এটি মোকাবিলা না করলে বৃহত্তর অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কার্যকর হবে না।

অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দেশ বর্তমানে ওভার রেগুলেটেড অবস্থায় আছে। “সিরিয়াস ডিরেগুলেশন এবং লিবারলাইজেশন ছাড়া আমরা সঠিক অর্থনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারব না। লেভেল প্লেইং ফিল্ড রাখতে হবে, যাতে সকলের সমান অধিকার থাকে। এতে অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ ও সুফল সবার কাছে পৌঁছাবে।”

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে সমস্যার মূল হলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো, যা ধ্বংসপ্রায় অবস্থায়। “প্রথমে তাদের পুনরুদ্ধার করতে হবে, পেশাদারিত্ব আনতে হবে, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। এটি না করলে বড় কর্মসূচি নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব হবে না।”

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পরদিন প্রথমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে এসে তিনি স্পষ্ট করেছেন, সরকার সব ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

Tag :
About Author Information

পরিবেশ-অর্থনীতি ক্ষতি করবে এমন প্রকল্প নেবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

Update Time : ১১:১৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ঘোষণা করেছেন, সরকারের আমলে কোনো প্রকল্প পরিবেশ ও অর্থনীতি নষ্ট করবে এমন হলে তা গ্রহণ করা হবে না। তিনি জানিয়েছেন, এমন প্রকল্পে বিনিয়োগ হবে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে এমন উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “মানুষের প্রত্যাশা ৫ আগস্টের পর আকাশচুম্বী হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, দেশের প্রতিটি মানুষ যেন অর্থনীতির সুফল পেতে পারে। পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি আর চলবে না, আমাদের অর্থনীতিতে গণতন্ত্র আনতে হবে। সব প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় সক্ষম করে তোলা হবে, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রতিমন্ত্রী মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি আরও বলেন, দুর্নীতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এটি মোকাবিলা না করলে বৃহত্তর অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কার্যকর হবে না।

অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দেশ বর্তমানে ওভার রেগুলেটেড অবস্থায় আছে। “সিরিয়াস ডিরেগুলেশন এবং লিবারলাইজেশন ছাড়া আমরা সঠিক অর্থনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারব না। লেভেল প্লেইং ফিল্ড রাখতে হবে, যাতে সকলের সমান অধিকার থাকে। এতে অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ ও সুফল সবার কাছে পৌঁছাবে।”

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে সমস্যার মূল হলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো, যা ধ্বংসপ্রায় অবস্থায়। “প্রথমে তাদের পুনরুদ্ধার করতে হবে, পেশাদারিত্ব আনতে হবে, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। এটি না করলে বড় কর্মসূচি নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব হবে না।”

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পরদিন প্রথমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে এসে তিনি স্পষ্ট করেছেন, সরকার সব ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।