Dhaka ০৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমরাহ শেষে ফেরার পথে একই পরিবারের পাঁচ জনসহ নিহত ৬ বাংলাদেশি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪১ Time View

সৌদি আরবে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্ণীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৬ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যিনি চিকিৎসাধীন। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

নিহত মিজানুর রহমানের ভাই ব্যবসায়ী বাহারুল আলম জানান, তার ছোট ভাই দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। চলতি মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান। ওমরাহ পালন শেষে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-লক্ষ্ণীপুরের বাসিন্দা মোহনা (১৩), দেড় বছর বয়সী শিশু সুবাহ, তাদের মা মেহের আফরোজ সুমী (৩০), বাবা মিজানুর রহমান (৪২) এবং বাবর (৩০)। আহত ফাইজা আক্তার (১১) গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় এলাকায় চলছে শোকের মাতম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা) আবহা শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের মামাতো ভাই রিফাতুল ইসলাম বলেন, পার্শ্ববর্তী গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূঁইয়ার মাধ্যমে তারা প্রথম এ দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত হন।

এদিকে, রামগঞ্জ থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী জানিয়েছেন, বিষয়টি তারা জেনেছেন এবং নিহতদের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

Tag :
About Author Information

ওমরাহ শেষে ফেরার পথে একই পরিবারের পাঁচ জনসহ নিহত ৬ বাংলাদেশি

Update Time : ১২:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সৌদি আরবে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্ণীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৬ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যিনি চিকিৎসাধীন। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

নিহত মিজানুর রহমানের ভাই ব্যবসায়ী বাহারুল আলম জানান, তার ছোট ভাই দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। চলতি মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান। ওমরাহ পালন শেষে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-লক্ষ্ণীপুরের বাসিন্দা মোহনা (১৩), দেড় বছর বয়সী শিশু সুবাহ, তাদের মা মেহের আফরোজ সুমী (৩০), বাবা মিজানুর রহমান (৪২) এবং বাবর (৩০)। আহত ফাইজা আক্তার (১১) গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় এলাকায় চলছে শোকের মাতম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা) আবহা শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের মামাতো ভাই রিফাতুল ইসলাম বলেন, পার্শ্ববর্তী গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূঁইয়ার মাধ্যমে তারা প্রথম এ দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত হন।

এদিকে, রামগঞ্জ থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী জানিয়েছেন, বিষয়টি তারা জেনেছেন এবং নিহতদের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।