সর্বশেষ :
ফকিরহাটে রেলওয়ের জমি দখল করে ২৫ বছর চাঁদাবাজি, বৈধ লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদের হুমকি বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও রেলি  বাগেরহাটে ডোবা থেকে নিখোঁজের ৫ দিন পর নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নবনির্বাচিত মোজতবা খামেনির নির্দেশে ইসরায়েলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান সৌদি থেকে মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলারের ইরান যুদ্ধ এখন ট্রাম্পের গলার কাঁটা: দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিবো, বললেন ট্রাম্প জামায়াত নেতা তাহেরের আসনের ব্যালট পেপার হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ নৌ-পুলিশের প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর যুদ্ধের আঘাতে এখন পযর্ন্ত ৪ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

আদালতের আদেশ মানেননি সিইসি, হাইকোর্টে অবমাননার রুল

প্রতিনিধি: / ৩৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনসংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি না করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আদালতের আদেশ অমান্য করায় কেন তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে এই রুল দেওয়া হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

শুনানিতে ইউনুছ আলী আকন্দ আদালতকে জানান, ‘কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিলেন। ওই আবেদনের বিষয়ে গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দেন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আদালতের সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আদালতের আদেশ কার্যকর না হওয়ায় বাধ্য হয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, কেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা চার সপ্তাহের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না এলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকছে।

নির্বাচন কমিশনের মতো একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারির ঘটনায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে গাফিলতির বিষয়টি স্পষ্ট হলে বিষয়টি কমিশনের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠতে পারে।


এই বিভাগের আরো খবর