Dhaka ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাল-মুরগির দামে অস্বস্তি, অন্য সবে কিছুটা স্বস্তি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৭ Time View

নিত্যপণ্যর দাম ঠিক রয়ে গেছে আগের মতই। এখনও স্বস্তি ফিরেনি চাল এবং মুরগির দামে। বাড়তি দামে ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে। রাজধানীতে শুক্রবার বিভিন্ন বাজারে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের থেকে এমন তথ্যই মিলেছে।

তথ্য বলছে, এক মাস ধরে মানভেদে বিভিন্ন ধরনের চালের কেজিতে ২ থেকে ৬ টাকা বেড়ে রয়েছে। এখন খুচরায় প্রতিকেজি সরু বা মিনিকেট চাল মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮২ টাকায় আর নাজিরশাইল মানভেদে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাসখানেক আগে মিনিকেট ৭২ থেকে ৮০ এবং নাজিরশাইলের কেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকা ছিল। মাঝারি বা ব্রি-২৮ ও পায়জাম জাতের চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৬ টাকায়। এছাড়া মোটা বা গুটি স্বর্ণা জাতের চালের কেজি কিনতে ক্রেতাকে গুণতে হবে ৬০-৬২ টাকা। মোটাদাগে বাজারে এই দামের নিচে কোনো চাল নেই। যদিও একমাস আগে মোটা চালের কেজি ৫৫ থেকে ৫৬ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

এছাড়াও কয়েক সপ্তাহ ধরে মুরগির বাজার বাড়তি। প্রতিকেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। এরচেয়ে বেড়েছে সোনালি জাতের মুরগির দাম। এ জাতের মুরগির কেজি কিনতে হলে কেজিপ্রতি খরচ পড়বে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। যা আগে ৩০০-৩২০ টাকা ছিল।

তবে বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম কম রয়েছে। বড় বাজারে ফার্মের প্রতি ডজন ডিম কেনা যাবে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। পাড়া মহল্লার দোকানে ১৪০-১৪৫ টাকা।

বাজারে শীতের সবজি এখনো কম দামে মিলছে। আলুর দাম ২০-২৫ টাকার মধ্যে এসেছে। পেঁয়াজ কিনতে পারা যাচ্ছে ৪০-৫০ টাকার মধ্যে। প্রতিকেজি বেগুন ৪০ থেকে ৫০, শিম ৩০ থেকে ৫০, কাঁচা পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, করল্লা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মুলা ১৫ থেকে ২০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৩০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। প্রতি পিস ফুল ও বাঁধাকপি মানভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা এবং লাউয়ের পিস কেনা যাবে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

এদিকে মসুর ডাল ১০৫ থেকে ১১০ ও দেশি চিকন মসুর ডাল ১৩০ থেকে ১৩৫ থেকে টাকা, মুগডাল ১৬৫ থেকে ১৭০ ও ছোলার কেজি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

Tag :
About Author Information

চাল-মুরগির দামে অস্বস্তি, অন্য সবে কিছুটা স্বস্তি

Update Time : ১১:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

নিত্যপণ্যর দাম ঠিক রয়ে গেছে আগের মতই। এখনও স্বস্তি ফিরেনি চাল এবং মুরগির দামে। বাড়তি দামে ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে। রাজধানীতে শুক্রবার বিভিন্ন বাজারে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের থেকে এমন তথ্যই মিলেছে।

তথ্য বলছে, এক মাস ধরে মানভেদে বিভিন্ন ধরনের চালের কেজিতে ২ থেকে ৬ টাকা বেড়ে রয়েছে। এখন খুচরায় প্রতিকেজি সরু বা মিনিকেট চাল মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮২ টাকায় আর নাজিরশাইল মানভেদে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাসখানেক আগে মিনিকেট ৭২ থেকে ৮০ এবং নাজিরশাইলের কেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকা ছিল। মাঝারি বা ব্রি-২৮ ও পায়জাম জাতের চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৬ টাকায়। এছাড়া মোটা বা গুটি স্বর্ণা জাতের চালের কেজি কিনতে ক্রেতাকে গুণতে হবে ৬০-৬২ টাকা। মোটাদাগে বাজারে এই দামের নিচে কোনো চাল নেই। যদিও একমাস আগে মোটা চালের কেজি ৫৫ থেকে ৫৬ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

এছাড়াও কয়েক সপ্তাহ ধরে মুরগির বাজার বাড়তি। প্রতিকেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। এরচেয়ে বেড়েছে সোনালি জাতের মুরগির দাম। এ জাতের মুরগির কেজি কিনতে হলে কেজিপ্রতি খরচ পড়বে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। যা আগে ৩০০-৩২০ টাকা ছিল।

তবে বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম কম রয়েছে। বড় বাজারে ফার্মের প্রতি ডজন ডিম কেনা যাবে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। পাড়া মহল্লার দোকানে ১৪০-১৪৫ টাকা।

বাজারে শীতের সবজি এখনো কম দামে মিলছে। আলুর দাম ২০-২৫ টাকার মধ্যে এসেছে। পেঁয়াজ কিনতে পারা যাচ্ছে ৪০-৫০ টাকার মধ্যে। প্রতিকেজি বেগুন ৪০ থেকে ৫০, শিম ৩০ থেকে ৫০, কাঁচা পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, করল্লা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মুলা ১৫ থেকে ২০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৩০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। প্রতি পিস ফুল ও বাঁধাকপি মানভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা এবং লাউয়ের পিস কেনা যাবে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

এদিকে মসুর ডাল ১০৫ থেকে ১১০ ও দেশি চিকন মসুর ডাল ১৩০ থেকে ১৩৫ থেকে টাকা, মুগডাল ১৬৫ থেকে ১৭০ ও ছোলার কেজি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।