Dhaka ০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৮৬ Time View

নানা আয়োজনে পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ফরিদপুর শহরের অম্বিকাপুরে কবির পারিবারিক কবরস্থানে কবির সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কবির জন্মদিন উপলক্ষে তার কবরে জেলা প্রশাসক ও জসীম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. কামরুল হাসান মোল্লা, পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল জলিলসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইয়াছিন কবিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা, পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল, কবিপুত্র খুরশিদ আনোয়ার, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি শেখ সামাদ, প্রফেসর আলতাফ হোসেন প্রমুখ। কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে একজন আধুনিক মানের শক্তিশালী কবি ছিলেন । গ্রাম-বাংলার মাটি ও মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা ফুটে উঠেছে তার কবিতা, গান, গল্প ও উপন্যাসে। এজন্য তাকে পল্লিকবিও বলা হয়। কবি জসীমউদ্দীন রচিত ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ বাংলা ভাষার গীতিময় কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম। জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। মোহাম্মাদ জসীমউদ্দীন মোল্লা তার পূর্ণ নাম হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত। তার বাবার বাড়ি ছিল একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। পল্লিকবি জসীমউদ্দীন ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ৭৩ বছর বয়সে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ওই দিনই ফরিদপুর সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের পৈত্রিক বাড়িতে ঐতিহাসিক ‘ডালিম গাছের’ তলায় তাকে দাফন করা হয়।

Tag :
About Author Information

পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালিত

Update Time : ০১:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

নানা আয়োজনে পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ফরিদপুর শহরের অম্বিকাপুরে কবির পারিবারিক কবরস্থানে কবির সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কবির জন্মদিন উপলক্ষে তার কবরে জেলা প্রশাসক ও জসীম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. কামরুল হাসান মোল্লা, পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল জলিলসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইয়াছিন কবিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা, পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল, কবিপুত্র খুরশিদ আনোয়ার, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি শেখ সামাদ, প্রফেসর আলতাফ হোসেন প্রমুখ। কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে একজন আধুনিক মানের শক্তিশালী কবি ছিলেন । গ্রাম-বাংলার মাটি ও মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা ফুটে উঠেছে তার কবিতা, গান, গল্প ও উপন্যাসে। এজন্য তাকে পল্লিকবিও বলা হয়। কবি জসীমউদ্দীন রচিত ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ বাংলা ভাষার গীতিময় কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম। জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। মোহাম্মাদ জসীমউদ্দীন মোল্লা তার পূর্ণ নাম হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত। তার বাবার বাড়ি ছিল একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। পল্লিকবি জসীমউদ্দীন ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ৭৩ বছর বয়সে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ওই দিনই ফরিদপুর সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের পৈত্রিক বাড়িতে ঐতিহাসিক ‘ডালিম গাছের’ তলায় তাকে দাফন করা হয়।