1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

সুন্দরবন ঘুরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী, বিকেলে বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট এলাকা হেলিকপ্টারে পর্যবেক্ষণ শেষে বাগেরহাটের মোংলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৪৮ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে তিনি নৌপথে ঘাঁটির জেটিতে পৌঁছান। সেখানে মধ্যাহ্নবিরতি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মোংলা বন্দরের জেটি এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সুন্দরবন পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি মোংলা বন্দরের কার্যক্রম, বন্দরকেন্দ্রিক অবকাঠামো এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা গুরুত্ব পাচ্ছে। দিনের কর্মসূচি শেষে বিকেলেই তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। সকাল ৯টার দিকে বিমানবন্দরে পৌঁছে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্টসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে তাঁকে বহনকারী হেলিকপ্টার। সেখান থেকে নলিয়ান লঞ্চঘাটে গিয়ে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। পরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

সফরসূচি অনুযায়ী, মোংলা নৌঘাঁটিতে মধ্যাহ্নবিরতির পর বেলা ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এতে খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা ও বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

বৈঠক শেষে বেলা ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বেলা ৩টায় জেটিতে পৌঁছে বন্দর কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর বেলা সোয়া ৩টার দিকে প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা এবং সাড়ে ৩টায় এলাকাটি পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে। সবশেষে বিকেল ৪টার দিকে হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনা ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে, বাড়বে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান।

দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে মোংলা বন্দরকে আরও কার্যকর বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করা এ অঞ্চলের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, সুন্দরবন-সংলগ্ন উপকূলীয় জনপদে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টিও স্থানীয় মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও সম্ভাব্য জ্বালানি অবকাঠামো ঘিরে নতুন শিল্প ও ব্যবসার সুযোগ তৈরির প্রত্যাশা রয়েছে তাঁদের।

প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে মোংলাসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পরিদর্শনস্থলগুলোতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd