বিদেশ: যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, ইরান যেন প্রকাশ্যে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের ওপর হামলা বন্ধ করার ঘোষণা দেয়। একইসঙ্গে যুদ্ধের আগে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহকারী এই জলপথের সমস্ত লেন টোলমুক্ত করে দিতে হবে। গত শুক্রবার জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের এ কথা জানান। যুদ্ধের সময় তেহরান মূলত প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, যা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তির সঙ্গে তাদের সংঘাতে একটি অচলাবস্থা তৈরি করে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ ও তথ্য কেন্দ্রের প্রধান জানান, গত বুধ ও বৃহস্পতিবার ইরানের ছয়টি শহরে মার্কিন হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ১১৫ জন আহত হয়েছেন। অবশ্য হামলা সত্ত্বেও মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, সামপ্রতিক দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জবাবে ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে। গত মাসের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিটির উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি সংঘাতের অবসানের পথ প্রশস্ত করা, যা এখন পঞ্চম মাসে পদার্পণ করেছে এবং এতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াই মার্কিন ভোক্তাদের দুর্ভোগ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্রমাগত পতনের পর, অপরিশোধিত তেলের দাম গত আট সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ সাপ্তাহিক বৃদ্ধি পেয়েছে।