তার অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট ২০২২ তারিখে টেলিফোনের মাধ্যমে মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুল জব্বার আকাশের সাথে ইসলামী শরীয়তমতে তার বিয়ে হয়। পরবর্তীতে তার স্বামী আকাশ দেশে ফিরে এসে ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করেন। বিবাহের সময় গরিব বাবা তার মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে দুই লক্ষ টাকা ব্যায় করে স্বর্ণালংকারসহ সাংসারিক যাবতীয় মালামাল দিয়ে দেন। দাম্পত্য জীবনে স্বমীর সংসারে সূখেই কাটছিলো সাদিয়ার। ইতোমধ্যে সাদিয়া ৮ মাসের অন্তস্বত্বা হন।
এর পরেই যৌতুক লোভী স্বামী আকাশের আসল রূপ বেরিয়ে আসে। আকাশ ব্যবসা করার জন্য দুই লক্ষ টাকা যৌতুক বাবদ বাবার কাছে থেকে এনে দেওয়ার জন্য মানসিক চাপ দিতে থাকে। নির্যাতন সইতে না পেরে সাদিয়া বাবাকে জানালে তার বাবা ছিদ্দিকুর রহমান মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ধার-দেনা দুই লক্ষ টাকা জামাতার হাতে তুলে দেন। কিন্তু এই টাকা ব্যবসা না করে জুয়া আর অবৈধ পথে খরচ করে আবারো তিন লক্ষ টাকা দাবি করে আকাশ। কিন্তু সাদিয়ার বাবা দাবিকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অন্তস্বত্বা সাদিয়াকে জোর করে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন এবং সম্পূর্ণ যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
এমতো অবস্থায় সাদিয়ার পরিবার স্থানীদের মাধ্যেমে মিমাংসা চেস্টা করে ব্যর্র্থ হয়ে যৌতুক লোভী আকাশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। এতে আরো ক্ষিপ্ত হন আকাশ টেলিফোনে এবং বিভিন্ন মধ্যমে সাদিয়াকে মামলা তুলে নিতে বলেন, অন্যথায় হত্যার হুমকি দিয়ে জানান সাদিয়ার বাবা ছিদ্দকুর রহমান।
এ বিষয় জানতে অভিযুক্ত আব্দুল জব্বার আকাশের সাথে যোগাযোগের চেস্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।