1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন

নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে শিক্ষকদের আগে চাকরি ছাড়তে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

শিক্ষকেরা কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে আগে চাকরি ছাড়তে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন করার সুপারিশও করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, শিক্ষক নিয়োগ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়েও সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীতে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউনেস্কো আয়োজিত শিক্ষা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আগামী দিনের নির্বাচনগুলোতে যেন শিক্ষকরা নির্বাচন না করেন। যদি তারা নির্বাচন করতে চান, তাহলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন।” তিনি জানান, শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে চাকরি ছাড়ার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে আইন করার সুপারিশ করা হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষকরা নির্বাচনে জড়িয়ে পড়লে এর প্রভাব শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর পড়ে। তাই শিক্ষা ব্যবস্থার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, দেশে এক লাখের বেশি নতুন শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক এবং বিভিন্ন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক ও প্রভাষক নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, “আপিল বিভাগের রায়ের ফলে এখন আমরা ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করতে পারব। এর সঙ্গে আরও প্রায় ৭০ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও প্রভাষক নিয়োগের সুযোগ যুক্ত হবে। এটি আমাদের জন্য বড় সুখবর।”

শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। সাধারণ ধারায় প্রায় ৩৩ শতাংশ, কারিগরি শিক্ষায় ৫৪ শতাংশ এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না, যা উদ্বেগজনক।

পরীক্ষা ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা এবং পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি থাকায় নকল বা অসদুপায়ের সুযোগ অনেক কমে এসেছে। এ কারণে আগের মতো কেন্দ্র পরিদর্শনের প্রয়োজনও কম অনুভূত হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ হওয়া অর্থের কোনো অপচয় বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতেই সরকারের বিনিয়োগ সবচেয়ে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd