Dhaka ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গভীররাতে ছাত্রদলের সাবেক কর্মীকে গুলি করে হত্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৩ Time View

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গভীররাতে আবারও দুইপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

জেলা শহরের কান্দিপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম ওই এলাকার মো. মস্তু মিয়ার ছেলে ও সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, “আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কন্দিপাড়ার দু গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। এর জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।”

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কান্দিপাড়া এলাকার লায়ন শাকিল গ্রুপের লোকজন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপ গ্রুপের তিনজনকে গুলি করে আহত করে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। মধ্যরাতে দিলীপের সহযোগীরা তাদের অনুসারী সাদ্দামকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর খবর আসে সাদ্দাম গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সড়কে পড়ে আছে। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মূলত প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই দিলীপ ও তার সহযোগীরা সাদ্দামকে হত্যা করেছে।

এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় শহররের কান্দিপাড়া মাদরাসা রোডে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপ গ্রুপের সঙ্গে স্থানীয় লায়ন শাকিল গ্রুপের মধ্যে পূর্ববিরোধের জেরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। নিহত সাদ্দাম দিলীপের সমর্থক ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

Tag :
About Author Information

গভীররাতে ছাত্রদলের সাবেক কর্মীকে গুলি করে হত্যা

Update Time : ০৯:১৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গভীররাতে আবারও দুইপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

জেলা শহরের কান্দিপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম ওই এলাকার মো. মস্তু মিয়ার ছেলে ও সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, “আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কন্দিপাড়ার দু গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। এর জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।”

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কান্দিপাড়া এলাকার লায়ন শাকিল গ্রুপের লোকজন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপ গ্রুপের তিনজনকে গুলি করে আহত করে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। মধ্যরাতে দিলীপের সহযোগীরা তাদের অনুসারী সাদ্দামকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর খবর আসে সাদ্দাম গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সড়কে পড়ে আছে। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মূলত প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই দিলীপ ও তার সহযোগীরা সাদ্দামকে হত্যা করেছে।

এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় শহররের কান্দিপাড়া মাদরাসা রোডে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপ গ্রুপের সঙ্গে স্থানীয় লায়ন শাকিল গ্রুপের মধ্যে পূর্ববিরোধের জেরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। নিহত সাদ্দাম দিলীপের সমর্থক ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।