রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ এবং জলকামান ব্যবহার করেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। কাকরাইল এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।
এর আগে শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদসহ চারজন নেতা-কর্মী আহত হন। নুর বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি, এনসিপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
এদিকে, শনিবার গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন।
হামলার কিছুক্ষণ আগে কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি বলেন, “আমরা নামাজ শেষে দোয়া করব গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। জাতীয় পার্টি কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থে কাজ করে না, বরং দেশের জন্য কাজ করে। জাতীয় পার্টিকে দোষারোপের রাজনীতিতে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “গতকাল পুলিশ ও সেনাবাহিনী কেবল নিরাপত্তার স্বার্থেই ব্যবস্থা নিয়েছিল।”