২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক মেক্সিকো। মেক্সিকো সিটির আইকনিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে আজ মাঠে নামবে এই দুই দল।কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার এই মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মেক্সিকোর সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা ইংলিশদের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেন। তাই এই তারকা স্ট্রাইকারকে মাঠে ‘অস্বস্তিতে’ রাখার বিশেষ ছক কষছেন মেক্সিকান কোচ হাভিয়ের আগুইরে।
শুধু হ্যারি কেনই নন, ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বরে থাকা ১৯৬৬ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সামগ্রিক শক্তি নিয়েও বেশ সতর্ক মেক্সিকো কোচ। ইংল্যান্ডের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ওরা বিশ্বসেরা দলগুলোর একটি। শারীরিকভাবে যেমন শক্তিশালী, কৌশলগত দিক থেকেও দারুণ। ওরা লম্বা পাসে আর শরীরনির্ভর ফুটবল খেলে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে পারে। আবার সেটা কাজে না লাগলে ছোট ছোট পাসেও দারুণ খেলতে জানে।’
নিজেদের দলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা রাউল জিমেনেজকে নিয়ে বেশ আশাবাদী আগুইরে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে উলভারহ্যাম্পটন ও ফুলহ্যামের হয়ে টানা আট মৌসুম খেলার অভিজ্ঞতা মেক্সিকোর কাজে লাগতে পারে বলে বিশ্বাস তার। জিমেনেজের নিবেদন নিয়ে কোচ বলেন, ‘বিশ্বের সেরা লিগে এতগুলো বছর কাটানোর পরও দলের ভেতরে রাউল ভীষণ বিনয়ী। ওর মধ্যে তারকা হওয়ার কোনো অহংকার নেই, সে পুরোপুরি দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ।’
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামের উচ্চতা ৭ হাজার ২০০ ফুটেরও বেশি। কন্ডিশনের কারণে ইংলিশরা বেশ অস্বস্তিতে থাকলেও, ঘরের মাঠের এই ভৌগোলিক সুবিধাকে বাড়তি কিছু হিসেবে ভাবতে নারাজ ৬৭ বছর বয়সী মেক্সিকান কোচ। উচ্চতার ইস্যু একেবারে উড়িয়ে দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘উচ্চতার হিসাবটা আমি একপাশে রাখছি। মাঠে লড়াইটা এগারো জনের বিপক্ষেই এগারো জনের হবে।’