1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন

সহিংসতা বন্ধ করে ফের আলোচনায় বসতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

বিদেশ: যুক্তরাষ্ট্রের এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গত রোববার এক প্রতিবেদনে অ্যাঙ্ওিস জানিয়েছে, অবশেষে পরস্পর হামলা চালানোর পর একসঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান । কাতারের রাজধানী দোহায় আজ মঙ্গলবার থেকে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে উল্লেখ করে অ্যাঙ্ওিসকে ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, “ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তিতে উল্লিখিত পয়েন্টগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। উভয়পক্ষই বর্তমানে শান্ত আছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজিক্য জাহাজগুলো মুক্তভাবে চলাচলে কোনো বাধা নেই।” গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি জাহাজকে লক্ষ্য করে ইরানের নৌবাহিনী হামলা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দেশটির ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের ডিপো এবং রাডার সিস্টেমে পাল্টা হামলা চালায় মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম। এর পর প্রায় দু’দিনে পরস্পরকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলা করে সেন্টকোম এবং ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সেন্টকোমের হামলার জবাব দিতে কুয়েত এবং বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল আইআরজিসি। তবে ইরানের হামলায় এ দুই দেশের মার্কিন ঘাঁটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে অ্যাঙ্ওিসকে জানিয়েছেন ওই মার্কিন কর্মকর্তা। কুয়েত এবং বাহরাইনের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। কুয়েত এবং বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর ২৭ জুন ইরানের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভির মাধ্যমে আইআরজিসি ঘোষণা করেছিল, “গত বৃহস্পতিবার ইরানে হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে এবং তার ফলাফল মার্কিন বাহিনীকে ভুগতে হবে। সামনের দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে নরক নেমে আসবে।” আইআরজিসির এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “আমরা খুব সফলভাবে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছিলাম। এখন তা স্থগিত আছে, কিন্তু এমন মুহূর্ত যে কোনো সময় আসতে পারে যখন আমরা আর যৌক্তিক আচরণ করব না।” “আর সত্যিই যদি এমন মুহূর্ত আসে, তাহলে পৃথিবীর মানচিত্রে ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব থাকবে না।” প্রেসিডন্ট ট্রাম্পের এই পোস্টের পর সংঘাত বন্ধ করে আলোচনায় বসতে সায় দেয় ইরান। সূত্র : রয়টার্স

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd