1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

মোরেলগঞ্জে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও সেতুর অভাবে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

মেহেদী হাসান লিপন, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট)সংবাদদাতা : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জিউধরা ইউনিয়নে একটি বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ঝুঁকি ও পার্শ্ববর্তী খালের একটি সেতুর অভাবে শত শত শিক্ষার্থী দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। সেতুর না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুকি নিয়ে বাঁশের বড় সাঁকো পেরুতে হয় । অপরদিকে রয়েছে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোর জরাজীর্নতা ।
এসব ঝুঁকির কারনে অভিভাবকরা তাদের সন্তারদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে। আর এ কারনে ব্যাহত হচ্ছে
শিক্ষা কার্যক্রম।
জানা গেছে, উপজেলার সোমাদ্দারখালী গ্রামে ১৯৯০ সালে স্থাপিত ২৮৪নং পূর্ব সোমাদ্দারখালী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী খালের উপর রয়েছে এ বাঁশের বড় সাঁকো । ২০ বছর ধরে এ বাঁশের
বড় সাঁকো পেরিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে হয় । প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাবার জন্য
বড় একটি খালের সংযোগ বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হয় । বিগতদিনে এ খালে একটি
কাঠের পুল ছিল। পরবর্তীতে তা ভেঙ্গে যাওয়ায় ২০ বছরে আর নির্মান করা হয়নি পুলটি। পরে স্থানীয়দের
সহায়তায় এখানে বাঁশের সাঁকো নির্মান করা হয়। এই সাঁকো পেরিয়ে সোমাদ্দারখালী, আড়ংঘাটা ও
গোলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের নিয়মিত যাতায়াত করতে হচ্ছে। বিদ্যালয় যেতে হলে এ সাঁকোটি
পাড় হতে হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীদের। বিশেষ বর্ষা সময় শিক্ষার্থীদের চরম দূর্ভোগের শিকার হতে হয় ।
সাঁকো পাড় হতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে অনেক শিক্ষার্থীদের। স্কুল শুরু ও ছুটির সময়
অনেক শিশুকে কোলে করে পার করে দেয় শিক্ষকরা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে একাধিকবার স্থানীয় সংসদ
সদস্য সহ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে অবহিত করলেও কোন কাজ হয়নি
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিয়াজ হোসেন বলেন, কাঁধে করে প্রতিদিন ছেলে মেয়েদের এ সাঁকো পাড়
করতে হয়। অনেক সময় অবিভাবকরা আসেন না। স্বাবাভিক জোয়ারেও বিদ্যালয়ের মাঠ পানিতে তলিয়ে যায়
অ বন্যা হলে ক্লাসে পানিতে তলিয়ে যায়। এ নিয়ে স্থানীয় অবিভাবকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
বরাবরে স্মারক লিপি ও মানব বন্ধন করে একাধিকবার সমস্যার কথা জানিয়েছেন।
বিদ্যারয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোমানা আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পারাপারে এ সমস্যা
স্থানীয় সংসদ সদস্য পরিদর্শন করে গেছেন। অভিভাবকরা ছেলে মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে অনিহা প্রকাশ
করছে। ইতোমধ্যে তাদের ৩৫ জন শিক্ষার্থী ইতি মধ্যে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। তিনি এখানে কাঠের
পুল বা ব্রিজ নির্মানের দাবী জানান ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ বলেন জিউধরা ইউনিয়নে সোমাদ্দারখালী এলাকায় খালের
সংযোগে সাঁকো পারাপারে শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগের বিষয়টি তিনি অবহিত হয়েছেন। নতুন বরাদ্ধ
আসলে বাঁশের সাঁকোটির স্থানে একটি কাঠের পুল নির্মান করা হবে ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd