1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন

বাণিজ্যিক আকর্ষণে মেসি-রোনালদোর ওপরে ভারতের শুবমান গিল

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

স্পোর্টস: মাঠের জনপ্রিয়তায় লিওনেল মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে তুলনা চলে না ভারতের ক্রিকেটার শুবমান গিলের। তবে বাণিজ্যিক আকর্ষণ ও বিপণনযোগ্যতার বিচারে দুই ফুটবল মহাতারকাকেই পেছনে ফেলেছেন তিনি। স্পোর্টসপ্রোর ২০২৬ সালের বিশ্বের সবচেয়ে বিপণনযোগ্য ৫০ ক্রীড়াবিদের তালিকায় ১৩তম হয়েছেন ভারতের টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক।
তালিকায় গিলের ঠিক পরেই ১৪তম স্থানে রয়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে আছেন ১৯তম অবস্থানে। আর আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির অবস্থান ২৭ নম্বরে। অর্থাৎ মাঠের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে থাকলেও বাণিজ্যিক মূল্যায়নে এবার গিলের পেছনে পড়েছেন এই তিন ফুটবল তারকা।
তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছেন বেলারুশের টেনিস তারকা আরিনা সাবালেঙ্কা। ২৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় চারটি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন। ২০২৫ সাল শেষ করেছেন টানা দ্বিতীয়বার মেয়েদের টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থেকে। ওই বছর কোর্টের আয় ও স্পনসরশিপ মিলিয়ে তাঁর আনুমানিক আয় ছিল তিন কোটি মার্কিন ডলার।
নাইকি, উইলসন, গুচি, এমিরেটস, অডেমার পিগে, হুপ ও স্টেলা আর্তোয়ার মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি রয়েছে সাবালেঙ্কার। ২০১০ সালে শুরু হওয়া স্পোর্টসপ্রোর এই তালিকায় তিনি চতুর্থ নারী এবং তৃতীয় টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন করলেন।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অলিম্পিকে ফ্রিস্টাইল স্কিইংয়ে সোনাজয়ী চীনের আইলিন গু। তৃতীয় হয়েছেন গ্রিসের বাস্কেটবল তারকা ইয়ানিস আন্তেতোকুনম্পো। চতুর্থ স্থানে আছেন ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন স্পেনের টেনিস তারকা কার্লোস আলকারাজ।
ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য তালিকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক, সেরা ৫০-এ জায়গা হয়নি সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলির। তাঁর অবস্থান ৮৫তম। মহেন্দ্র সিং ধোনি রয়েছেন ৮৩তম এবং রোহিত শর্মা ৯০তম স্থানে। ফলে সেরা ৫০-এ থাকা ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের মধ্যে ক্রিকেটার হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে গিলই।
যেভাবে তৈরি হয়েছে তালিকা
স্পোর্টসপ্রো ও নর্থস্টার সলিউশনস গ্রুপ যৌথভাবে ১৭তম বার্ষিক এই তালিকা তৈরি করেছে। ক্রীড়াবিদদের বিপণনযোগ্যতা যাচাইয়ে ১০০ নম্বরের একটি স্কোরিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, ব্র্যান্ড ইকুইটি, মোমেন্টাম ও কমার্শিয়াল ট্র্যাজেক্টরি।
ব্র্যান্ড ইকুইটির জন্য রাখা হয়েছে ৪৫ নম্বর। একজন ক্রীড়াবিদের নিজস্ব ব্র্যান্ড হিসেবে শক্তি, পরিচিতি ও আকর্ষণ কতটা, তা এখানে বিবেচনা করা হয়েছে। মোমেন্টামের জন্য বরাদ্দ ৪০ নম্বর। এর মাধ্যমে তাঁর বাণিজ্যিক জনপ্রিয়তা কত দ্রুত বাড়ছে, তা মূল্যায়ন করা হয়। বাকি ১৫ নম্বর রাখা হয়েছে কমার্শিয়াল ট্র্যাজেক্টরির জন্য। অর্থাৎ ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে আরও বড় হওয়ার সম্ভাবনা কতটা, সেটিও বিবেচনায় এসেছে।
এই মূল্যায়নে ব্যবহার করা হয়েছে ২৭টি নির্দিষ্ট সূচক। প্রত্যেক ক্রীড়াবিদের কয়েক শ তথ্যের পাশাপাশি তিন হাজারের বেশি ব্র্যান্ডের সঙ্গে তাঁদের বাণিজ্যিক চুক্তির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারী ও দর্শকের সংখ্যা, ইন্টারনেটে অনুসন্ধানের প্রবণতা, সংবাদমাধ্যমে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উপস্থিতি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদারত্বও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৭০টি খেলার ১ হাজার ২০২ জন ক্রীড়াবিদকে প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করা হয়। পরে তাঁদের মধ্যে ২৪৭ জনকে নিয়ে বিস্তারিত মূল্যায়নের পর চূড়ান্ত ৫০ জনের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd