• শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ০২:১৬
সর্বশেষ :
রেমালের জলোচ্ছাসে মোরেলগঞ্জে ৩ শ’ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত পঞ্চগড়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল সংবাদ প্রকাশের পর ক্যান্সারে আক্রান্ত মরিয়মকে চিকিৎসার অর্থ সহায়তা  সেতুমন্ত্রীর ঈদ পরবর্তী দুর্ঘটনা রোধে সড়কে তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ এক লাখের বেশি কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪ পাকিস্তানি নিহত ইরান সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গেল একজনের উড়োজাহাজের সচল ইঞ্জিনের মধ্যে পড়ে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ইসরায়েল থেকে ইসরায়েল রাফায় বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে

শিশুদের স্মার্টফোন-টিকটক ব্যবহার ফ্রান্সে নিষিদ্ধ

প্রতিনিধি: / ১৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪

আইটি: ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেয়া উচিত নয়। এ ছাড়া ১৮ বছর বয়সের আগে শিশুদের টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না। ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর নির্দেশে দেশটিতে এমন এক নীতিমালা তৈরি করেছেন বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জানুয়ারিতেই ম্যাঁক্রো ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ফ্রান্সের শিশুদের স্মার্টফোন ব্যবহার বন্ধে যে নজিরহীন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তখন তিনি বলেছিলেন, শিশুদের স্মার্টফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করা হতে পারে। গবেষকেরা বলেছেন, মুনাফালোভী প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মনোযোগ আকর্ষণ করার কৌশল থেকে শিশুদের রক্ষা করতে হবে। কোম্পানিগুলো শিশুদের পছন্দের বিষয়গুলো দেখিয়ে তাদের মনোযোগ স্মার্টফোনে আটকে রাখে। প্রযুক্তি বাজারে শিশুদের ‘পণ্য’ হিসেবে দেখা হয়। প্রতিবেদনে গবেষকেরা বলেন, আমরা প্রযুক্তি শিল্পকে জানাতে চাচ্ছি যে, তারা শিশুদের সঙ্গে কী করছে, তা আমরা জানি এবং এসব করে তারা পার পেয়ে যাবে না। মূলত পল-ব্রাউস হাসপাতালের মনোরোগ ও আসক্তি বিভাগের প্রধান অ্যামাইন বেনিয়ামিনার এবং স্নায়ু বিশেষজ্ঞ সার্ভেন মাউটনের নেতৃত্বে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি নিয়ে তিন মাস ধরে এক গবেষণা করেন। গবেষণাপত্রে বলা হয়, তিন বছরের কম বয়সী শিশুদের স্মার্টফোনে কোনো কিছু দেখানো উচিত নয়। টেলিভিশনের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। আর ১১ বছর বয়সের আগে কোনো শিশুরই নিজস্ব স্মার্টফোন থাকা উচিত নয়। যদি ১১ থেকে ১৩ বছর বয়সী শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দিতেই হয়, তাহলে খেয়াল রাখতে হবে সেগুলোতে যেন ইন্টারনেট ব্যবহার করা না যায়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১৫ বছরের শিশুরা মাস্টডোনের মতো শুধু নৈতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে। ১৮ বছরের কম বয়সীরা যেন টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে না পারে সেদিকেও নজর রাখতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কিশোর-কিশোরীদের জ্ঞান বৃদ্ধির চেষ্টা করতে হবে।

 

 


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com