• সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৪:৩০
সর্বশেষ :

ভারত নিষেধাজ্ঞা তুলে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ দিচ্ছে

প্রতিনিধি: / ১৩৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

আন্তর্জাতিক: পেঁয়াজ রপ্তানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নিষেধাজ্ঞা তুলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য ৩ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেখানে ঢাকার জন্যও ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার ভারতের দ্য ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে মন্ত্রীদের একটি কমিটি গত রোববার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং বিজেপির দিন্ডোরির (নাসিক গ্রামীণ) কেন্দ্রের সাংসদ ভারতী গণমাধ্যমকে জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের (জিওএম) একটি বৈঠক হয়, সেখানে পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সম্পর্কিত বিভিন্ন শর্তাবলির বিষয়ে আগামী দুয়েক দিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। ৯ ফেব্রæয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে বৈঠক করে রমজানের আগে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ এবং এক লাখ টন চিনি রপ্তানির আহŸান জানিয়েছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা প্রত্যাহার এবং বিশেষ করে রমজান মাসে মূল্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে পীযূষ গয়ালকে অনুরোধ করেন তিনি। গত বছর দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন পর্যাপ্ত হলেও দাম বেড়ে যায়। বাধ্য হয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর সরকার দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে সর্বোচ্চ ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা দাম নির্ধারণ করে দেয়। তারপরও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আবার ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাজারে পেঁয়াজের দাম হু হু করে বৃদ্ধি পায়। গত ডিসেম্বরে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলে বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে। ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি হলে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করেন শ্যামবাজারের পেঁয়াজ আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল মাজেদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়, তা দিয়ে বছরের চাহিদা পূরণ হয় না। ভারত, চীনসহ কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। বিশেষ করে, ভারতীয় পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেলে বাজারে দাম অনেক বেড়ে যায়। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে রাজি হওয়ায় দাম কমে আসবে বলে মনে করি।’


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com