• সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০১:৫১
সর্বশেষ :
বাগেরহাটে ইদুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু মো. আল আমিন শেখঃ মোরেলগঞ্জে মাদ্রাসা কেন্দ্রে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ২১ শিক্ষকে অব্যহতি, আটক ১ ফকিরহাটে শেখ হেলাল উদ্দীন এমপি’র সুস্থতা কামনায় মডেল মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত  পাইকগাছায় গোলপাতার ঘরে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান স্মার্ট ফোনে দাখিল পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করায় ২১ শিক্ষক বহিস্কার, গ্রেফতার ১ তেঁতুলিয়ায় শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম,তদন্ত কমিটি গঠন হরিঢালীতে মাদ্রাসা রিজিয়া আল ইসলামিয়ার শুভ উদ্বোধন বিশ্ব বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা মানুষ এখন অনেক সচেতন, বন্যপ্রাণিকে হত্যা না করে বনে ফিরিয়ে দেয় মোরেলগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় ভ্যানশ্রমিক আটক মোরেলগঞ্জে স্বর্ণ ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ ইটভাটার ম্যানেজার গ্রেফতার

বিলাওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি সমর্থনের বিনিময়ে

প্রতিনিধি: / ৭৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিদেশ : পাকিস্তানের রাজনীতিতে যোগ হলো নতুন চমক। এবার বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিকে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি জানিয়েছেন, তার বাবা আসিফ আলি জারদারি। বিনিময়ে কেন্দ্র ও পাঞ্জাবে সরকার গঠনের জন্য পিএমএল-এনকে সমর্থন দেবে পিপিপি।  রোববার বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। এমনিতেই দেরিতে নির্বাচনি ফলাফল প্রকাশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল থেকেও প্রশ্ন উঠেছে। আর এখন সবগুলো আসনে ফলাফল করা প্রকাশ হলেও, সরকার গঠন নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। সর্বশেষ ফলাফলে দেখা যায়, ২৬৪ আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০১ আসনে জয় পেয়েছেন ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৭৫ আসনে জয় পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)। প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির পুত্র বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৫৪ আসন। আর মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান (এমকিউএম) ১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যান্য দল পেয়েছে ১৭টি আসন। জাতীয় পরিষদের ২৬৬ আসনের মধ্যে ২৬৫ আসনে (একটি স্থগিত) ভোট হয়েছে। একটি আসনে ফল স্থগিত রাখায় ২৬৪ আসনে ফল ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার গঠনে প্রয়োজন ১৩৪ আসন। পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ সভাপতি শেহবাজ শরিফ, তার দলের নেতাদের জানান, সমর্থনের বিনিময়ে পিপিপি শর্ত দিয়েছে যে, বিলাওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী করা হবে। শুধু তাই নয় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর পদও দাবি করেছে দলটি। শুক্রবার রাতে সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও পিপিপির বর্তমান চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির সাথে দেখা করেন শাহবাজ শরিফ। তবে তাদের আলোচনা যে তেমন ফলপ্রসূ হয়নি তা এখন বেশ স্পষ্ট। কারণ স্বাভাবিকভাবেই প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি হননি শাহবাজ। ফলে কেন্দ্রের পাশাপাশি পাঞ্জাবে ভবিষ্যৎ সরকার করার জন্য বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করেছেন পিএমএল-এন নেতারা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পিপিপির সাথে আলোচনা ব্যর্থ হলে, পিএমএল-এন এমকিউএম, জেইউআই-এফসহ অন্যান্য ছোট দলগুলির সঙ্গে জোট গঠনের চিন্তা ভাবনা করছেন নেতারা। এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কথাও মাথায় রাখা হয়েছে। এরইমধ্যে শেহবাজ শরিফের সাথে দেখা করতে লাহোর গেছেন এমকিউএম-পি এর একটি প্রতিনিধি দল। এমন পরিস্থিতিতে শেহবাজ শরীফকে প্রধানমন্ত্রী ও মরিয়ম নওয়াজকে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী করার চিন্তা করছে পিএমএল-এন। এদিকে, পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর আলী খানের দাবি, প্রেসিডেন্ট তার দলকে কেন্দ্রে সরকার গঠনের সুযোগ দেবেন। কারণ তাদের নির্বাচিত প্রার্থীরা সর্বোচ্চ আসনে জয়ী হয়েছে। কিন্তু ঝামেলা রয়েছে এখানেও। কারণ সরকার গঠন করতে হলে তাদেরকে অবশ্যই কোনো না কোনো দলের অধীনে থাকতে হবে। আর জোটও গঠন করতে হবে। এক্ষেত্রে পিপিপিই সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। যে দলই সরকার গঠন করুক, তাদের সমর্থন লাগবেই। শনিবার বিলাওয়াল দাবি করেছেন, তার দলের সমর্থন ছাড়া কেন্দ্রের পাশাপাশি পাঞ্জাব ও বেলুচিস্তানে সরকার গঠন করতে পারবে না কোনো দল। তবে গুজব রয়েছে, সম্পূর্ণ ফলাফল প্রকাশের আগেই, পিএমএল-এন এর সাথে জোট সরকার গড়তে রাজি হয় পিপিপি। এর জবাবে সংবাদমাধ্যমগুলোতে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি জানান, ধরেই নেওয়া হচ্ছে পিপিপি কেন্দ্রীয়ভাবে পিএমএল-এনের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। এখন পর্যন্ত, পিপিপি আনুষ্ঠানিকভাবে পিএমএল-এন, পিটিআই বা অন্য কোনো দলের সাথে জড়িত হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সাংবাদিকদের প্যানেলের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আমরা রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করার চেষ্টা করছি। পিটিআই চেয়ারম্যান গোহর আলি খানের সাথে যোগাযোগ হয়নি বলেও জানান তিনি। তবে পিপিপি নেতারা কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীর সাথে যোগাযোগ করেছেন বলে স্বীকার করেছেন বিলাওয়াল। তাহলে কি পাকিস্তানে পরবর্তী সরকার গঠন পিপিপির সমর্থনের ওপরই নির্ভর করছে?


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com