• শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ১১:৫৮

বাগেরহাটের কামার পট্রি টুংটাং শব্দে মুখরিত

প্রতিনিধি: / ২৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪

জেলা প্রতিনিধি, বাগেরহাট: ঘামছে কামার, পুড়ছে লোহা, তৈরি হচ্ছে ছুরি, চাপাতিসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এসব তৈরিতে কামার শিল্পীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভাতির ফাসফুস আর হাতুড়ি পেটার ঠুকঠাক ও টুং টাং শব্দে মুখরিত বাগেরহাটের কামার পট্টি গুলো।

মুসলমানদের সর্ববৃহৎ উৎসব কোরবানির ঈদ উপলক্ষে কোরবানির পশু জবাই দিতে ধারালো অস্ত্র সংগ্রহে ব্যস্ত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। পছন্দের পশুটিকে আল্লাহর রস্তে কোরবানি করবে। এজন্য ছুরি, বটি, দা ধার দিতে কামার শিল্পের কাছে ধরনা দিচ্ছে তারা।

সরেজমিনে বাগেরহাট শহরের কামার পট্রিতে দেখা যায়, শেষ সময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা। কথা বলার সময় নেই। ঠুকঠাক ও টুং টাং শব্দে মুখরিত সমস্ত কামার পট্রি এলাকা। তবে কামার পট্রিতে ঢুকতেই এক আলাদা অনুভুতি চলে আসে। ঠুকঠাক ও টুং টাং শব্দটা মনে হয় শৈল্পিক মিউজিক।

কামার শিল্পী রতন কুমার জানান, পাকিস্তান আমল থেকে এই কামার শিল্প গড়ে উঠেছে। বংশ পরম্পরা আজ পর্যন্ত এই কাজ আমরাও করে যাচ্ছি। বর্তমানে সব জিনিসের দাম বেশি হওয়ায় এ ব্যবসা মন্দা যাচ্ছে, তবুও বেঁচে থাকার তাগিদে ব্যবসা করে যাচ্ছি। প্রতি বছর কোরবানির ঈদের মৌসুমে আমরা অত্যাধিক ব্যস্ত সময় পার করি।এ বছরও তার ব্যতিক্রম নয়।

কামার শিল্পী ফটিক চন্দ্র জানান, আমি দশ বছর ধরে পিতার সাথে এই ব্যবসা করে আসছি, এখনো করছি। নেশায় বলেন আর পেশায় বলেন এই কাজ করে যেতে হবে। না করলে জীবন চলে না, এভাবেই চলে আমাদের জীবন। এখন আমাদের কাজ অনেক বেশি, কথা বলার সময় নেই।

দায়ে ধার দিতে আসা আবু মুছা জানান, সকাল থেকে বসে আছি, এখনো আমার দায়ে ধার দেওয়া হয় নি। তারা এখন খুবই ব্যস্ত সময় পার করছেন, পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুতি নিতে দা, বডি, চুরি ধার দিতে কামারশালয় এসেছেন তিনি।

আবু মুছা আরও বলেন, ১ কেজি লোহার তৈরি চাপাতির দাম ৮০০ টাকা, বিদেশি চাপাতির দাম ২ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। এবার লোহার তৈরি অস্ত্রের দাম অনেক বেশি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com