• রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ১২:১০

পুতিন যেসব শর্তে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধ করতে চান

প্রতিনিধি: / ২৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪

বিদেশ : ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ করতে কয়েকটি শর্তের কথা জানালেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। এগুলো হলো- আরও ভ‚খÐ ছাড়ার জন্য রাজি থাকতে হবে কিয়েভকে, দেশের আরও ভেতরে তাদের সেনা সরিয়ে নিতে হবে এবং পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যুক্ত হওয়ার আকাক্সক্ষা ত্যাগ করতে হবে। শুক্রবার মস্কোয় রুশ রাষ্ট্রদূতদের এক বৈঠকে পুতিন রাশিয়ার অধিকৃত ইউক্রেনের চার অঞ্চল-দোনেস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া থেকে ইউক্রেনের সেনা প্রত্যাহারের আহŸান জানান। এ ছাড়া ইউক্রেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটো সামরিক জোটে যোগদানের প্রচেষ্টা ছেড়ে দিতে হবে বলেও দাবি করেন তিনি। এ সপ্তাহে পশ্চিমাদের নেতৃত্বে ইউক্রেনের শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মধ্যেই পুতিন এসব শর্তের বিষয়গুলো উল্লেখ করলেন। সুইজারল্যান্ডের ওই সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টি দেশের প্রতিনিধি ও সংস্থা অংশ নেয়। ওই সম্মেলনে রাশিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রদূতদের সামনে পুতিন হালনাগাদ শর্তের বিষয়টি সামনে আনেন। ইউক্রেনে ২০২২ সালের ফেব্রæয়ারি মাসে পূর্ণমাত্রার অভিযান শুরু করার পর এবারই প্রথম পুতিন তার শর্তের বিষয়টি সরাসরি বললেন। এই শর্তের বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, ইউক্রেন নিয়ে কোনো দাবি জানানোর মতো বা যে যুদ্ধ তিনি শুরু করেছেন তা আজই শেষ করার মতো অবস্থায় নেই পুতিন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, পুতিন যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা বিশ্বাস করার মতো নয়। তার শর্ত মেনে নিয়ে যুদ্ধবিরতিতে গেলেও তিনি হামলা বন্ধ করবেন না। পুতিন বলেন, যখনই কিয়েভ এই সিদ্ধান্ত মেনে নেবে তখনই আমাদের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বন্ধ এবং শান্তি আলোচনা শুরু করার আদেশ দেয়া হবে। বলতে গেলে একই মিনিটে এটা করা হবে। পুতিনের দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনের সেনাদের পুরো দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চল ছাড়তে হবে। এগুলোকে আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার অঞ্চল ঘোষণা করা হলেই বিষয়টিকে শেষ বলে মেনে নেবে রাশিয়া। পুতিন আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে যেসব নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সব তুলে নিতে হবে। এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রাশিয়ার ব্যাংক খাতে নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া রুশ স্টক এক্সচেঞ্জ, চিপ ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এ সপ্তাহে পশ্চিমা ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭-এর পক্ষ থেকে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ থেকে ইউক্রেনকে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। পুতিনের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগকে চুরি বলে মন্তব্য করা হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com