• বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৯:৩৬
সর্বশেষ :
কপিলমুনির হাউলী প্রতাপকাঠির দুটি স্কুল থেকে ৪০ টি ফ্যান চুরি দিল্লিতে তাপপ্রবাহে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহবান লোহিত সাগরে উত্তর কোরিয়ার সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন পর পুতিন ভিয়েতনামে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজন জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় পদক্ষেপ চায় : জাতিসংঘ ওয়ার্ক পারমিট না দেওয়ায় ভারত ছাড়লেন ফরাসি সাংবাদিক ভারতে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে আমরাও পাল্টা গুলি চালাব মিয়ানমার থেকে গুলি আসলে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বায়ু দূষণে বাংলাদেশে বছরে ১৯ হাজারেরও বেশি শিশুর মৃত্যু: ইউনিসেফ বাজেটে প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা আছে: আবুল হাসান মাহমুদ আলী

পাইকগাছায় স্কুল শিক্ষককে চেতনানাশক দিয়ে অচেতন করে স্বর্ণালংকর ও নগদ অর্থ লুট

প্রতিনিধি: / ১৩০ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় শিশুসহ একই পরিবারের দুই সদস্যকে চেতনা নাশক ঔষধ
মেশানো খাবার খাইয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার রাতে উপজেলার গোপালপুর গ্রামের শিক্ষক আমিনুর রহমান লিটু (৪০)
বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটেছে। সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) ও থানার
অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অচেতন শিক্ষক ও তার আড়াই বছরের
শিশুকে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শিক্ষক লিটুর
ছোট ভাই মাসুদ রানা জানান, সোমবার রাতে আমার বড় ভাই আমিনুর রহমান
লিটুসহ তার পরিবারের সকলে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আমার ভাইপো অসুস্থ
থাকায় আমার মা দ্বিতীয় তলায় বড় ভাইয়ের পাশের ঘরে ঘুমায়। বড় ভাইয়ের ছেলে
অসুস্থ থাকায় বড় ভাবি রাতের খাবার খায়নি। আমার বড়ভাই ও তার আড়াই বছরের
ছেলে সাদ খাবার খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ওই রাতেই
মায়ের ঘরের জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে আলমারীতে থাকা ৬ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২৫
হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে ভাবী ডাকাডাকি করলে দেখে ভাই ও তার
ছেলে অচেতন হয়ে আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল
অফিসার তাহেরা ইয়াসমিন পিংকি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,
চেতনা নাশক ওষুধ প্রয়োগ করায় এ ঘটনা ঘটেছে। আমিনুর রহমান লিটু ও তার
আড়াই বছরের শিশু সাদ চিকিৎসাধীন রয়েছে। বর্তমানে তারা শঙ্কামুক্ত।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান জানান, বিষয়টি শুনে
আমিসহ সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে
গিয়েছিলাম। এর সাথে যারা জড়িত তাদেরকে খুব শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা
হবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com