• শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ১০:০১

জিয়াকে সতীর্থদের শেষ বিদায়

প্রতিনিধি: / ১৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪

স্পোর্টস: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আঙিনায় বহু সময় কাটিয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। দাবা ফেডারেশন সেখানে থাকায় খেলার কারণে ছিল তার নিয়মিত যাতায়াত। সদ্য প্রয়াত জিয়া এখন অতীত। আর পা পড়বে না এই চেনা আঙিনায়। শনিবার শেষ বারের মতো তার মরদেহ সেখানে আনা হয়েছিল। জানাজা শেষে সতীর্থ ও ক্রীড়াঙ্গনের অনেকেই ৫০ বছর বয়সী দাবাড়ুর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জানিয়েছেন শেষ শ্রদ্ধা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে জানাজা শেষে সবার কণ্ঠে ফুটে উঠে আফসোস। দেশের আরেক গ্র্যান্ডমাস্টার আব্দুল্লাহ আল রাকিব জিয়ার প্রশংসা করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সেরা দাবাড়ু জিয়া ভাই। তার শূন্যস্থান পূরণ করার মতো নয়। একজন অতি সুশৃঙ্খল খেলোয়াড় ছিলেন। সব সময় খেলা নিয়ে ভাবতেন। অলিম্পিয়াডে অনেক খেলেছি একসঙ্গে। দেখেছি প্রতিপক্ষ নিয়ে তার চুলচেড়া বিশ্লেষণ।’ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম বলেছেন, ‘অনেকেই টুর্নামেন্টের পুরস্কার ও নানা সুযোগ-সুবিধা কম হলে খেলতে চাইতেন না। জিয়া কখনওই এরকম ছিলেন না। সব টুর্নামেন্টেই তিনি অংশগ্রহণ করতেন। যেন অন্যরা তার মাধ্যমে শিখতে পারে।’ জিয়ার স্মৃতি ধরে রাখার পরিকল্পনার কথা আলাদা করে জানালেন এই সংগঠক, ‘আমাদের আলাদা একটি ফ্লোর পাওয়ার কথা ছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মধ্যে। সেখানে গ্র্যান্ডমাস্টার কর্নারের পরিকল্পনা ছিল। সেটা যতদিন না হয় আমরা বর্তমান ক্রীড়াকক্ষই জিয়ার নামকরণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করবো।’ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ ) মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজাও জিয়ার পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন, ‘জিয়া শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্ব দাবা অঙ্গনে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন আর্থিক ব্যাপারে তার পরিবারের পাশে থাকবো।’ দাবা ফেডারেশনের অন্যতম সহ-সভাপতি তরফদার রুহুল আমিন যোগ করে বলেছেণ, ‘গত শুক্রবার মাননীয় মন্ত্রী (নাজমুল হাসান পাপন) এবং আজ আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের আরেকজন অভিভাবক শাহেদ ভাই (বিওএ মহাসচিব) তার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। একটি বড় আর্থিক অঙ্ক স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) করে পরিবারের একটি সাপোর্ট প্রদান করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ দাবা ফেডারেশন ও আমরা ব্যক্তিগতভাবে নেবো।’ সতীর্থদের শেষ বিদায়ের পর মরদেহ বহনকারী শীতাপত নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্স ছুটে গেছে মোহাম্মদ তাজমহল রোডে। সেখানে দাবাড়ু বাবা পয়গম আহমেদের পাশে চিরশায়িত হওয়ার কথা গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com