• বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ১০:২২
সর্বশেষ :
কপিলমুনির হাউলী প্রতাপকাঠির দুটি স্কুল থেকে ৪০ টি ফ্যান চুরি দিল্লিতে তাপপ্রবাহে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহবান লোহিত সাগরে উত্তর কোরিয়ার সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন পর পুতিন ভিয়েতনামে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজন জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় পদক্ষেপ চায় : জাতিসংঘ ওয়ার্ক পারমিট না দেওয়ায় ভারত ছাড়লেন ফরাসি সাংবাদিক ভারতে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে আমরাও পাল্টা গুলি চালাব মিয়ানমার থেকে গুলি আসলে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বায়ু দূষণে বাংলাদেশে বছরে ১৯ হাজারেরও বেশি শিশুর মৃত্যু: ইউনিসেফ বাজেটে প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা আছে: আবুল হাসান মাহমুদ আলী

চিন্তা বেড়েছে ইউরোপের ট্রাম্পের হুমকিতে ?

প্রতিনিধি: / ১২৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিদেশ : ন্যাটোর মূল বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর থেকে ইউরোপের দেশগুলো চিন্তিত। তবে ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেছেন, ‘ন্যাটো কখনোই এমন কোনো সামরিক জোট নয়, যা মার্কিন প্রেসিডেন্টের রসিকতার ওপর নির্ভর করে।’ এটাই ছিল ট্রাম্পের বক্তব্যের ওপর তাঁর প্রতিক্রিয়া। গত শনিবার ট্রাম্প সাউথ ক্যারোলাইনায় প্রচার সভায় বলেছেন, ‘ন্যাটোর শরিক দেশগুলো যদি তারা তাদের ভাগের অর্থ না দেয়, তাহলে তিনি যা খুশি করার জন্য রাশিয়াকে উৎসাহিত করবেন।’ ট্রাম্পের এই মন্তব্যে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্কের ¯্রােত বয়ে গেছে। কারণ ট্রাম্পের আগামী নির্বাচনে জেতার একটা সম্ভাবনা আছে। ন্যাটোর মহাসচিব স্টলটেনবার্গ এরপর বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘ন্যাটোর শরিকদের নিয়ে ট্রাম্প যা বলেছেন, তার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর শরিক দেশের ওপর সমানভাবে পড়বে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় সেনাদের ঝুঁকি বেড়ে যাবে।’
ট্রাম্পের হুমকি ও ন্যাটো
প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ন্যাটো থেকে সরে আসার হুমকি অনেকবার দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি একাধিকবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যে তাদের সুরক্ষা দিচ্ছে, তার জন্য ইউরোপকে অর্থ দিতে হবে। এর ফলে ন্যাটোর চুক্তির বহু আলোচিত পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদ পালন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ন্যাটোর কোনো একটি দেশ যদি আক্রান্ত হয়, তাহলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র সেই আক্রমণকে নিজেদের ওপর আক্রমণ হিসেবে দেখবে এবং তা প্রতিহত করবে। ঘটনা হলো, ট্রাম্প আবার ন্যাটো নিয়ে সেই বিতর্কিত কথা বললেন। ক‚নীতিকদের মতে, প্রচারে নেমে এই কথা বলাটা খুবই উদ্বেগজনক। ন্যাটোর অনেক শরিক দেশই মনে করে, ট্রাম্প যদি আবার জিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসতে পারেন, তাহলে তিনি আগেরবারের থেকে অনেক বেশি করে শক্ত হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবেন। ব্রাসেলসের ইনস্টিটিউট ফর ইউরোপিয়ান স্টাডিজের এলিসন উডওয়ার্ড ডিডাবিøউকে বলেছেন, ‘গতবার ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন দেখা গিয়েছিল। একটা নাটকীয় পরিবর্তন দেখা দিয়েছিল। তাই যদি ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় আসেন, তাহলে কী হবে, ইউরোপের দেশগুলোর সেই চিন্তা হওয়াটা স্বাভাবিক।’ ন্যাটোর সংকটের সময় ট্রাম্পের এই হুমকি এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন ইউক্রেনে রাশিয়া আরো তীব্র আক্রমণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, যখন কিয়েভের জন্য নতুন সহায়তা প্যাকেজে সায় দেয়নি মার্কিন কংগ্রেস, যখন ইউরোপের দেশগুলো তাদের অস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে হিমশিম খাচ্ছে। মার্কিন থিংকট্যাংক জার্মান মার্শাল ফান্ড ইস্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিশেল বারানওস্কি বলেছেন, ‘ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে এই সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে যে তিনি ক্ষমতায় এলে রাশিয়া ন্যাটোর শক্তি পরীক্ষা করবে।’ তিনি ডিডাবিøউকে বলেছেন, ‘ট্রাম্পের মন্তব্য ইউরোপের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তা বাড়িয়েছে। ইউরোপের কোনো দেশের ওপর আক্রমণ হলে যুক্তরাষ্ট্র পাশে দাঁড়াবে কি না, সেই চিন্তা স্বাভাবিকভাবেই দেখা দিয়েছে।’ ব্রাসেলসের ক‚টনীতিকদের মুখেও একই চিন্তার কথা শোনা যাচ্ছে। তাঁরা ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় জানাচ্ছেন, ট্রাম্পের মন্তব্যের ফলে এই সামরিক জোটের যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে। ট্রাম্প যা বলেছেন তা হেঁয়ালির মতো। কারণ ইউরোপের দেশগুলোর সামনে এমন কোনো বিল নেই, যা তাদের ভরতে হবে।
প্রতিরক্ষা খাতে খরচ না করা
ট্রাম্পের মন্তব্যের অর্থ হলো, ইউরোপের দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রæতিমতো জিডিপির ২ শতাংশ অর্থ প্রতিরক্ষা খাতে খরচ করছে না। ২০১৪ সালে ওয়েলসে ন্যাটো শীর্ষবৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। জার্মানি সম্ভবত এই বছর তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ করতে পারবে। সেটাও ১০ হাজার কোটি ইউরোর বিশেষ তহবিলের জন্য। রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর ওই তহবিল তৈরি করা হয়।
ঘটনা হলো, ট্রাম্প আবার ন্যাটো নিয়ে সেই বিতর্কিত কথা বললেন। ক‚নীতিকদের মতে, প্রচারে নেমে এই কথা বলাটা খুবই উদ্বেগজনক। ন্যাটোর অনেক শরিক দেশই মনে করে, ট্রাম্প যদি আবার জিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসতে পারেন, তাহলে তিনি আগেরবারের থেকে অনেক বেশি করে শক্ত হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবেন। ব্রাসেলসের ইনস্টিটিউট ফর ইউরোপিয়ান স্টাডিজের এলিসন উডওয়ার্ড ডিডাবিøউকে বলেছেন, ‘গতবার ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন দেখা গিয়েছিল। একটা নাটকীয় পরিবর্তন দেখা দিয়েছিল। তাই যদি ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় আসেন, তাহলে কী হবে, ইউরোপের দেশগুলোর সেই চিন্তা হওয়াটা স্বাভাবিক।’
ন্যাটোর সংকটের সময়
ট্রাম্পের এই হুমকি এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন ইউক্রেনে রাশিয়া আরো তীব্র আক্রমণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, যখন কিয়েভের জন্য নতুন সহায়তা প্যাকেজে সায় দেয়নি মার্কিন কংগ্রেস, যখন ইউরোপের দেশগুলো তাদের অস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে হিমশিম খাচ্ছে। মার্কিন থিংকট্যাংক জার্মান মার্শাল ফান্ড ইস্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিশেল বারানওস্কি বলেছেন, ‘ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে এই সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে যে তিনি ক্ষমতায় এলে রাশিয়া ন্যাটোর শক্তি পরীক্ষা করবে।’ তিনি ডিডাবিøউকে বলেছেন, ‘ট্রাম্পের মন্তব্য ইউরোপের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তা বাড়িয়েছে। ইউরোপের কোনো দেশের ওপর আক্রমণ হলে যুক্তরাষ্ট্র পাশে দাঁড়াবে কি না, সেই চিন্তা স্বাভাবিকভাবেই দেখা দিয়েছে।’ ব্রাসেলসের ক‚টনীতিকদের মুখেও একই চিন্তার কথা শোনা যাচ্ছে। তাঁরা ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় জানাচ্ছেন, ট্রাম্পের মন্তব্যের ফলে এই সামরিক জোটের যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে। ট্রাম্প যা বলেছেন তা হেঁয়ালির মতো। কারণ ইউরোপের দেশগুলোর সামনে এমন কোনো বিল নেই, যা তাদের ভরতে হবে।
প্রতিরক্ষা খাতে খরচ না করা
ট্রাম্পের মন্তব্যের অর্থ হলো, ইউরোপের দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রæতিমতো জিডিপির ২ শতাংশ অর্থ প্রতিরক্ষা খাতে খরচ করছে না। ২০১৪ সালে ওয়েলসে ন্যাটো শীর্ষবৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। জার্মানি সম্ভবত এই বছর তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ করতে পারবে। সেটাও ১০ হাজার কোটি ইউরোর বিশেষ তহবিলের জন্য। রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর ওই তহবিল তৈরি করা হয়।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com