• মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩০

কুতুবদিয়ায় ওলুহালী খাল রক্ষার দাবিতে বাপার বিশাল মানববন্ধন 

প্রতিনিধি: / ১৩৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক , কুতুবদিয়াঃ কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় অবৈধভাবে দখল করা ওলুহালী খাল রক্ষার দাবিতে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুতুবদিয়া উপজেলা শাখা।
সোমবার (১১ মার্চ) সকাল ১১ টায় ওলুহালী খাল দখল স্থানে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে এলাকার কয়েক শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন বাপা কুতুবদিয়া শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাপার সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক কাইছার সিকদার, বাপার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, উত্তর ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান আবদুল হালিম স্থানীয় প্রশাসনকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে খালটি দখল করতে মাটি ভরাট করছেন। খালটি দখল হয়ে গেলে বর্ষাকালে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হবে। খালের পাশের ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে যাবে। পথঘাট ডুবে যাবে। এতে চলাচলসহ নানা ভোগান্তির শিকার হবে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। অবিলম্বে খালে ভরাটকৃত মাটি সরিয়ে নিয়ে খালটি খননের দাবি জানান বক্তারা।
বক্তব্যে বাপা সাধারন সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনকে বিক্রি করে উত্তর ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান একদিকে ফসলি জমির মাটি দিয়ে খাল ভরাট করে দখল করছেন। অন্যদিকে রাতের অন্ধকারে স্ক্যাভেটর দিয়ে খালে মাটি বিক্রি করছেন। উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি অতিদ্রুত খাল দখলকারী ও পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় ওলুহালী খাল উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
বক্তব্যে সাংবাদিক কাইছার সিকদার বলেন, উত্তর ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান আবদুল হালিমের বিরুদ্ধে বারবার খাল দখল করে মাটি ভরাট, বিক্রিসহ নানাভাবে পরিবেশের ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে। এবার তিনি পুরোদস্তুর একটি প্রবাহমান খাল ভরাট করে এলাকার পরিবেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন।
বক্তব্যে বাপা সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, কুতুবদিয়ার ভূমিদস্যুরা স্থানীয় প্রশাসনকে ব্যবহার করে পরিবেশের ক্ষতি করছে। অনতিবিলম্বে ওলুহালী খাল উদ্ধার করে পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
দক্ষিণ ধুরুং ১ নং ওয়ার্ড নাথ পাড়ার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, খালটি দখল হয়ে গেলে তাদের ঘরবাড়ি, মৎস্য ঘেরসহ চাষাবাদে ক্ষতি হবে। অভিলম্বে খালটি উদ্ধার পূর্বক ভরাট করা মাটিগুলো খালের দুই পারে দিয়ে পানির প্রবাহকে চলমান রাখার দাবি জানান।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com