• শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ১০:৩৬

কপিলমুনিতে বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে পল্লী বিদ্যুতের কাছে অসহায় গ্রাহকরা

প্রতিনিধি: / ২৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪

শেখ আব্দুল গফুর, কপিলমুনি (খুলনা) অফিস: সুকৌশলে চুরি ও ভৌতিক বিলে পল্লী বিদ্যুতের কাছে অসহায় গ্রাহকরা , হয়রানিসহ জিম্মি হয়ে পড়েছে পাইকগাছার হাজার হাজার গ্রাহক। কে দেখবে এই ভোগান্তির কারণ।
কপিলমুনিতে বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির দোহাই দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির
ভৌতিক বিল আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। ভৌতিক বিল কাঁধে চাপিয়ে দেয়ায় প্রায় হাজার
হাজার গ্রাহক চরমভাবে ভোগান্তিতে পড়েছেন। অপরদিকে সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে
সংযোগ বিচ্ছিন্ন সহ নানা হয়রানি ও ভোগান্তিতে গ্রাহক। অভিযোগে প্রকাশ, মে মাসের
বিদ্যুৎ বিলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে কোন কোন মিটারে দ্বিগুণ বিল করা হয়েছে আবার
কোন কোন মিটারে প্রায় তিনগুণ করা হয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ একই পরিমাণ বিদ্যুৎ
ব্যবহার করা হলেও অন্যান্য মাসের চেয়ে এত বড় ব্যবধান তারা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন
না। ধাপে ধাপে পল্লী বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, নিত্যপূর্ণ কিনতে মানুষের জীবন যখন ওষ্ঠাগত
ঠিক এই সময় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ অবলীলায় করে যাচ্ছে বিদ্যুতের ভৌতিক বিল,এই
মানুষগুলোর জীবনের গল্প শোনার মত যেন কেউ নেই। মধ্যবিত্ত ও নি¤œবিত্ত পরিবারের জীবনে নেমে
এসেছে অমানিশার কালো অন্ধকার।প্রতিকার জানিয়েও পাইনি কোন প্রতিকার। দেশের নাগরিক
হিসেবে মৌলিক অধিকারটুকু যেন হারিয়ে ফেলেছেন। এখন শুধু দীর্ঘশ্বাস আর হৃদয়ের ক্ষত
নিয়ে যেন বেঁচে আছেন। এমনই কয়েকটি পরিবারের সদস্য তাদের পরিবারের দুর্বিষহ করুন
পরিণতির কথা তুলে ধরলেন।এমনি একজন হলেন নগর শ্রীরামপুর গ্রামের এসকেন্দার খোকন,তিনি
বলেন, এপ্রিল মাসে তার মিটারে বিল হয়েছিল ৩৮৭ টাকা , এ মাসে বিল হয়েছে ৯৮৩ টাকা।
তিনি বলেন এপ্রিল আর মে মাসের বিল ব্যবধান অনেক পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা মত বিল করে
দিল আর সেই বিলের টাকা আমাদের গুনতে হচ্ছে । এম ডি আব্দুল হান্নান বলেন , তার মিটারে
এই এপ্রিল মাসে বিল হয়েছিল ৬৯৬ টাকা , আর মে মাসে বিল হয়েছে ১৮৯৬ টাকা । এনামুল
আহাম্মেদ বলেন , তার মিটারে প্রতি মাসে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার ভিতরে বিল হয় আর মে মাসে
১২৬৯ টাকা হয়েছে । মামুদকাটি গ্রামের ভীম দে বলেন এপ্রিল এপ্রিলে তার মিটারে বিল
হয়েছিল ৪৯০ টাকা, আর মে মাসে বিল হয়েছে ১৩০৭ টাকা। কপিলমুনির শেখ আব্দুল আলীম
বলেন , তার মিটারে এপ্রিলে বিল হয়েছিল ১,১০০ টাকা, আর মে মাসে বিল হয়েছে ২,৪৭৫
টাকা। কপিলমুনির নাছিরপুর গ্রামের শেখ সুজাউল আলমের মিটারে এপ্রিল মাসে বিল
হয়েছিল ১৯৬ টাকা আর মে মাসে বিল হয়েছে ৪,৫১৬ টাকা। এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের
পাইকগাছা অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন মে মাসে
প্রচন্ড গরম ছিল, আমরা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎও দিয়েছি যার ফলে বিল বেশি হতে পারে ।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com